
লিওনেল মেসির নিরাপক্ষা নিশ্চিত করেন দেহরক্ষী ইয়াসিন চুকো। পালাক্রমে মেসির পরিবারকে নিরাপত্তা দিয়ে থাকে ইয়াসিনের ৫০ সদস্যের একটি দল। কিন্তু স্পেনের একটি মাঠে দেহরক্ষী ইয়াসিনকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক মার্কা ও ফুটবল বিষয়ক ওয়েবসাইট গোল ডট কম এই তথ্য জানিয়েছে।
ইয়াসিনকে মাঠে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় এখন থেকে তিনি আর ইন্টার মায়ামির ম্যাচ চলাকালীন সাইডলাইনে থাকতে পারবেন না। এই নিষেধাজ্ঞা মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) পাশাপাশি কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপেও বলবৎ থাকবে। তবে ইয়াসিন ইন্টার মায়ামির ড্রেসিং রুম ও মিক্সড জোনে মেসির পাশে থাকতে পারবেন।
ইয়াসিনকে নিষিদ্ধ করার কারণ হিসেবে সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাঠে মেসির সঙ্গে অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটলেই তিনি মাঠে ঢুকে পড়েন। গত বছর মেক্সিকান ক্লাব মোন্তেররেইয়ের বিপক্ষে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নস কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে চোটে পড়েন ইয়াসিন। ঠিক সেই সময় মাঠে ঢুকে রেফারির একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে মোন্তেররেই কোচের সঙ্গে তর্কে জড়ান।
মেসি ২০২৩ সালের জুলাইয়ে ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পরপরই ইয়াসিন চুকোকে দেহরক্ষী হিসেবে নিয়োগ দেন। ৩৫ বছর বয়সী ইয়াসিন একজন আমেরিকান। তাঁর মা ফরাসি, বাবা আমেরিকান। সাবেক মিক্সড মার্শাল আর্টিস্ট ইয়াসিন মার্কিন নৌবাহিনীতেও কাজ করেছেন। তায়কোয়ান্দো ও বক্সিংয়েও তিনি বিশেষভাবে দক্ষ ইয়াসিন।
এমএলএস কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ইয়াসিন। তিনি বলেছেন, ‘আমি ইউরোপে সাত বছর কাজ করেছি। সেখানে লিগ আঁ ও চ্যাম্পিয়নস লিগে দায়িত্ব পালন করেছি। এই সময়ে মাত্র ৬ জন ব্যক্তি খেলা চলাকালীন মাঠে ঢুকে পড়েছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে (মেসির দেহরক্ষী হিসেবে) আমি ২০ মাস ধরে কাজ করছি। এরই মধ্যে ১৬ জন মাঠে ঢুকে পড়েছে। এর অর্থ এখানে বিরাট সমস্যা আছে। অথচ আপনারা আমাকে সমস্যা মনে করেন। আমাকে মেসিকে সাহায্য করতে দিন।’